থাই𝓡ল্যান্ডের ব্যাঙ্ককে ভয়াবহ ভূমিকম্প। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা?&nbs𓆉p;
ভারত থেকে ব্যাঙ্ককে গিয়েছিলেন প্রেম কিশোর মোহান্তি। আসলে তাঁর মেয়ে পড়াশোনা করে ব্যাঙ্ককে। এদিন ছিল স্পোর্টস ডে। মেয়ের স্কুলের অডিটোরিয়ামে বসেছিলেন তিনি। আর সেই সময় কেঁপে উঠলꦯ থাইল্য়ান্ড।
এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, মনে হচ্ছিল মাথা ঘুরছে। আমি নীচে বসে পড়ি। দেখলাম মাথার উপর যে লাইটগুলো রয়েছে সেগুলি দুলছে। চেয়ারগুলো নড়ছে। এনডিটিভিকে জানিয়েছেন তিনি। এরপর স্কুলের পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমেꦦ ঘোষণা করা হয় সবাই আউটডোরে চলে যাও। দেখা যায় যে সুইমিং পুলের জল একেবারে জলপ্রপাতের মতো নামছে। একেবারে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা ওই ভারতীয় বাবার।
হোটেলের মাথায় যে সুইমিং পুল ছিল সেখান থেকে জল একেবারে চলকে নামতে থাকে। দুলুনির জেরে সেটা এভাবে নামতে থাকে। রিখটার স্কেলে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ৭.৭। এর কেন্দ্🧸র হল মায়ানমার। তবে থাইল্যান্ডের অনেক জায়গায় ভয়াবহভাবে কম্পন অনুভূত হয়েছে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ হয়ে যায়। বহু মানুষ বা♏ড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন।
তবে ব্যাঙ্ককে যে প্রায়▨ই ভূমিকম্প হয় এমনটা নয়। কিশোর মোহান্তি এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, এটা অত্যন্ত ভয়ের ছিল। প্রথম দিকে খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তাঁরা একটা অ্যাপার্টমেন্টের টাওয়ারে থাকেন। সেই বিল্ডিং খা꧋লি করে দেওয়া হয়। আপৎকালীন সিঁড়ি দিয়ে তাঁদের নেমে আসতে হয়।
তিনি এনডিটিভিকে জানিয়েছেন ছোট বাড়িগুলিকে বিশেষ কিছু হয়নি। কিন্তু বড় বিল্ডিংগুলিতে প্রভাব পড়েছে। কিছু✨ বহুতলে আলমারি থেকে জিনিসপত্র পড়ে যায় ও পাইপলাইন ফেটে যায়। এরপর লোকাল অফিসাররা খতিয়ে দেখার পরে তাদের বাড়ির 🔥ভেতরে প্রবেশের অনুমতি মেলে। তাঁদের বাড়ির দেওয়ালে ফাটল দেখা দেয়।
তিনি এনডিটিভিতে𒁏 জানিয়েছেন, আমার প্রতিবেশী ২২ তলায় থাকেন। তিনি একজন জার্মান। তিনি শুধু পোষা বেড়াল নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিলেন। লবিতে পৌঁছন না পর্যন্ত তিনি সিঁড়ি দিয়ে নামতে থাকেন। এখানে অনেক জাপানি থাকেন। কিন্তু তাঁরাও বলছেন এমন জিনিস তাঁরা জীবনে দেখেননি।
তিনি এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, ব্যাঙ্ককে এই ধরনের ভূমিকম্প বিরল। শুক্রবার বিকালে এটা হল। গোটা শহর স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। পাবলিক ট্রান্সপোর্ট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। সমস্ত জায়গায় ট্রাফিক ব্লক হয়ে গিয়েছে। অনেকেই ༒আতঙ্কে বাড়ির বাইরে রয়েছে। সকলেই অপেক্ষা করছিলেন কখন সবুজ সংকেত আসবে।