বিগত কয়েক বছর ধরে চলছে রত্না চট্টোপাধ্যায় এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের ডিভোর্স কেস। বেহালা পূর্বের বিধায়ক এই মামলায় আরও কিছু সাক্ষী পেশ করতে চাইলে নিম্ন আদালতে তাদের বয়ান নিতে চায়নি। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। সেখানেই তাঁকে প্রভাবশালী তকমা দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তাই নয় শোভনের আ😼ইনজীবী তথা তৃণমূল সাংসদ প্রশ্ন তোলেন রত্না চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র নিয়েও। এই বিষয়ে কী বললেন তিনি?
কী জানিয়েছেন রত্না চট্টোপাধ্যায়?
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এদিন আনন্দবাজারের কাছে ক্ষোভ উগরে দেন রত্না চট্টোপাধ্যায়। জানান, 'কল্যাণদা আমায় বলেছিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় একজন ভিলেন। মহিলা ভিলেন। তোমার ঘর সংসার ভেঙেছেন উনি, সব তছনছ করে দিয়েছেন। আর সেই কল্য༒াণদা এখন আমার বাবাকౠে কালারফুল বলছেন। আদালতে আমায় প্রভাবশালী বলে কটাক্ষ করছেন।' তিনি এদিন আরও জানান ২০১৭ সালে যখন তাঁদের ডিভোর্সের মামলা শুরু হয়, তখন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় অন্যতম ব্যক্তি ছিলেন যিনি রত্না চট্টোপাধ্যায়কে মামলা চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। তাঁর এই পাল্টি খাওয়া দেখে স্বাভাবিক আক্ষেপ করছেন রত্না।
ডিভোর্স প্রসঙ্গে এদিন সাফ জানিয়ে দেন হাল তিনি ছাড়ছেন না। নি𒊎ম্ন আদালতের রায় তাঁর পক্ষে না গেলে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবেন। সেখানেও তাঁর পক্ষে রায় না গেলে তিনি প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। তাঁর কথায়, 'আমি ছেড়ে দেব না। আমি একার কাঁধে সব দায়িত্ব তুলে নিয়েছি যা শোভন বাবু ছেড়ে গিয়েছিলেন। আমার কাঁধেই এখন আমার দুই সন্তানের দায়িত্ব। ওদের জন্যই আমাকে লড়তে হবে।'
প্রসঙ্গত গত শুক্রবার ২১ ফেব্রুয়ারি কলকাতা হাইকোর্টᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚে এই ডিভোর্সের মামলা চলে। এদিনই শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী সপ্তাহে রায় ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন: ৯ দিনে ৩০০ কোটির দোরগোড়ায় ছাবা, ভিকির ছবির দাপট♈েꦛ বেহাল মেরে হাসবেন্ড কি বিবির, আয় কত?