আবারও পৃথক রাজ্য গড়ার হুমকি কামতাপুর লিবারেশন অর্𓂃গানাইজেশন (কেএলও)-এর। এতদিন বিবৃত জারি করে অথবা ভিডিয়ো বার্তায় হুমকি দিতেন কেএলও প্রধান জীবন সিংহ। এবার প্রকাশ্য জনসভায় বক্তৃতা দিলেন কেএলও প্রধান। একটি জমায়েতে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি বক্তৃতা রাখেন। তাও আবার বিজেপিশাসিত রাজ্য অসমে। সেখান থেকেই বাংলা ভাগ করে পৃথক রাজ্যের দাবি জানালেন জীবন সিংহ। এখানেই উঠছে প্রশ্ন। জঙ্গি সংগঠন হওয়া সত্ত্🐓বেও কীভাবে সেখানে পুলিশ প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে জমায়েত করল কেএলও?
আরও পড়ুন: কেএলও প্রধান জীবন সিংহের ꦆআত্মসমর্পণ? অস্ত্র ছেড়ে মূল স্রোত🎀ে…
জানা গিয়েছে, গত রবিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে জীবন সিংহ জনসভায় বক্তব্য রাখেন। অসমের গোঁসাইগাঁওয়ে এই জনসভা হয়। সেখানে ৪০টির বেশি লাউড স্পিকারের মাধ্যমে জমায়েত করা সমর্থক, লিঙ্কম্যানদের সকলকে জীবনের বক্তব্য শোনানো হয়। সেখান থেকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারকে হুমক𒁃ি দিয়ে পৃথক রাজ্য গড়ার দাবি জানান তিনি।
জীবন সিংকে সেদিন বলতে শোনা যায়, ‘রাজ্য সরকার বাংলায় সন্ত্রাস চালাচ্ছে। নিজেদের ভ𝐆ূমিতেই আমরা পরাধীন। এটা অস্তিত্ব রক্ষা লড়াই।’ এরপরেই তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাইকে ঘর থেকে বের হতে হবে। আত্মত্যাগ করতে হবে। পৃথক রাজ্য গড়তে হবে। তাতে যদি হাজার হাজার জীবন বলিদান হয় তা করতে হবে। এসবের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং কেন্দ্রকে পৃথক রাজ্য করার জন্য তিন মাসের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন কেএলও প্রধান। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, পরোক্ষে ꦿতিনি হিংসার রাস্তায় হাঁটার ইঙ্গিত দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নিষিদ্ধ সংগঠন ও সংস্থার তালিকায় ৩৭ নম্𒐪বরে রয়েছে কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (কেএলও) নাম। এই সংগঠনকে ১১ বছর আগে জঙ্গি সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। বিজেপির আমলেও এই নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। এই অবস্থায় অসমে কীভাবে পৃথক রাজ্যের দাবিতে একটি জঙ্গি সংগঠন জমায়েত করল? তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। উল্লেখ্য জীবন সিংহের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, বোমা বিস্ফোরণের মতো নাশকতামূলক কাজের অভিযোগ রয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত ৫ ফেব্রুয়ারি অসমের দিসপুরের লোকসেবা ভবনে কামতাপুর রাজ্যের দাবিতে আন্দোলন করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা একটি বৈঠক করেছিলেন। সেখানে অসমের মুখ্যমন্ত্রী পৃথক রাজ্যের জন্য সম꧅্মতি জানিয়েছিলেন। ফলে সেক্ষেত্রে বাংলাভাগের ক্ষেত্রে অসম সরকারের উসকানি রয়েছে বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, গোঁসাইগাঁওয়ে এই জমায়েতে জীবন সিংহের ছবি সাঁটা ব্যানার টাঙানো ছিল। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এই সভায় যোগ দিয়েছিলেন মালদা, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিংয়ের কয়েক হাজার মানুষ।