ঠাকুরনগরে বারুণী স্নানের দিনও থামল না রাজনৈতিক চাপানউতোর। নাম না নিয়ে রাজ্যের মন্ত��্রীদের কাণ্ডজ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মতুয়া মহাসংঘের স্বঘোষিত সংജঘাধিপতি শান্তনু ঠাকুর। এদিন মতুয়া মন্দির লাগোয়া এলাকায় গাড়ি নিয়ে ঢোকায় রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু, তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক ও প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
আরও পড়ুন - বিজে🌊পির ভোটারদের পেটাতে শান্তির ছেলেদের পোলিং এজেন্ট করে তৃণমূল: শুভেন্দু
আরও পড়ুন - ফের বেনিয়ম! রাজ্যে আরও একটি শিক💦্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্থগিতাদেশ দিল হাইকো𓄧র্ট
আরও পড়ুন - সুপারিশ তালিকায় একাধিক প্রভাবশꦜালীর নাম, সিবিআইয়ের ডাক পড়তে পারে যে কোনও দিন
বারুণী স্নানকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগরে লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল। গ♉োটা ঠাকুরনগর চলে গিয়েছিল মতুয়া ভক্তদের দখলে। পিছিয়ে ছিলেন না শাসলকদলের নেতা মন্ত্রীরাও। বুধবার থেকেই একে একে হাজির হতে শুরু করেন তৃণমূল নেতারা। তালিকায় নাম ছিল দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু, ব্যারাকপুরের সাংসদ পার্থ ভৌমিক, প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। অভিযোগ, প্রত্যেকেই ১০ -১ ৫টি গাড়ির কনভয় নিয়ে মন্দির চত্বরে ঢুকে পড়েন। এর জেরে ভিড়ে ঠাসা মন্দির চত্বরে পদপিষ্টের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়।
এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে শান্তনু ঠাকুর বলেন, নেতা - মন্ত্র♓ীরা আসছেন আসুন। কিন্তু ১৫টা গাড়ির কনভয় নিয়ে মন্দিরের সামনে এলে ভক্তদের সম🙈স্যা হচ্ছে। এরা কি মানুষের কথা ভাবে না?
বৃহস্পতিবার ঠাকুরনগর যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকাꦏরী। তিনি প্রায় ১ কিলোমিটার দূরে গাড়ি রেখে হেঁটে মন্দিরে পৌঁছন। মন্দিরে পুজো দেন তিনি। শুভেন্দুবাবুর সঙ্গে ছিলেন গাইঘাটার বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর।