চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে শনিবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের হালকা অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল। আর তাদের অনুশীলনের জন্য দুপুরের পরের স্লট দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে, মেন ইন ব্লু আইসিসি অ্যাকাডেমিতে সাত তাড়াতাড়ি পৌঁছে গিয়েছিল। বিরাট ক🐎োহলি আবার তারও আগে মাঠে উপস্থিত হয়ে নেট অনুশীলন শুরু করে দিয়েছিলেন।
স্থানীয় সময় সকাল ১১টার দিকে অনুশীন কেন্দ্রের ঢোকার মুখে চাপা গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। কারণ কোহলিকে তাঁর ব্যাটিং কোচ সিতাংশু কোটক এবং থ্রো-꧋ডাউন বিশেষজ্ঞ নুয়ান এবং রঘুর সঙ্গে একটি গাড়ি থেকে নামতে দেখা গিয়েছিল। আর বাকি দ🌟লও স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে অনুশীলনে চলে আসে। সেটাও নির্ধারিত সময়ের চেয়ে প্রায় এক ঘন্টা আগে।
প্রত্যেকে তাদের ওয়ার্ম আপ এবং স্ট্রেচিং রুট🍸িন যখন শেষ করেছিলেন, তখন বিরাট কোহলি প্রায় ৪৫ মিনিট ব্যাটিং অনুশীলন করে ফেলেছিলেন। কোহলিকে নেটে স্থানীয় ১০-১২ জন বোলারের বিরুদ্ধে অনুশীলন করতে দেখা গিয়েছিল। এমনকী বরুণ চক্রবর্তীকেও প্রশিক্ষণের জন্য তাড়াতাড়ি আসতে দেখা গিয়েছে। হয়তো স্পিন খেলতে বিরাটের সমস্যা হচ্ছে বলে, তিনি আলাদা করে অনুশীলন করতে চেয়েছিলেন। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ওডিআইতে লেগ-স্পিনের বিরুদ্ধে সমস্যায় পড়েছিলেন বিরাট। সেই জায়গার উন্নতি করতেই সম্ভবত আলাদা অনুশীলন করেন বিরাট।
নেট অনুশীলনে বেꩵশ নিখুঁত এবং তীক্ষ্ণ লেগেছে কোহলির ব্যাটিং। ড্রাইভ যেমন করেছেন, তেমনই রক্ষণাত্মক খেলারও চেষ্টা করেছেন। তবে পরে তিনি মাঠ থেকে উঠে এসে নিজের বাঁ-পায়ে বরফের প্যাক লাগিয়ে বসে ছিলেন। তাঁকে আইসপ্যাক লাগিয়ে বসে থাকতে দেখে গুঞ্জন শুরু হয়। তবে কোহলির চোট প্রসঙ্গে কিছুই জানা যায়নি। এর পর তাঁকে রোহিত শর্মা এবং শুভমন গিলের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ কথা বলতে দেখা যায়। পরে অধিনায়কের পেপ টকের সময়ে দলের সঙ্গে মাঠে ছিলেন তিনি। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে সবাই পালা করে নেটে ব্যাটিং করেন। তবে জ্বর হওয়ার কারণে ঋষভ পন্ত অনুশীলনে আসেননি।
এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে এসে শুভমন গিল বলেছেন, ‘আমরা অবশ্যই ইতিবাচক এবং আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে চাই। এই উইকেটে ৩০০-৩২৫ খুব ভালো স্কোর হবে। মধ্য🍌 ওভারে যে দল ভালো ব্যাটিং করবে, তারা জেতার আরও ভালো সুযোগ পাবে।’ সঙ্গে তিনি যোগ করেছেন, ‘শিশির না থাকলে টস কোনও ব্যাপার হবে না। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করা দ𓆉লের উপর চাপ থাকবে।’
ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে হাইভোল্টেজ লড়াইকে কেন্দ্র করে আগ্রহ একেবারে আকাশছোঁয়া। তবে এই ম্যাচে কিছুটা চাপে থাকবে পাকিস্তানই। কারণ মহম্মদ রিজওয়ানের নেতৃত্বাধীন টিম করাচিতে টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানে হেরেছে। যার নিটফল, আর একটি ম্যাচ হারলে, টুর্নামেন্ট থেকে পাকিস্তাꦬন কার্যত ছিটকে যাবে। অন্যদিকে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত ছয় উইকেটে জিতেছে। যার ফলে তারা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। এবং রবিবার পাকিস্তানকে হারিয়ে তারা সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে ফেলতে চাইবে।