ꦅ ১৯৯৫-৯৬ মরশুমে শেষবার শেফিল্ড শিল্ডের খেতাব জিতেছিল সাউথ অস্ট্রেলিয়া। অবশেষে প্রায় তিন দশক পরে ট্রফি খরা কাটল তাদের। এবছর ফাইনালে কুইন্সল্যান্ডকে হারিয়ে ফের শেফিল্ডের খেতাব ঘরে তোলে সাউথ অস্ট্রেলিয়া। মাঝে ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ মরশুমে পরপর ২ বার রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাদের।
🐠 দীর্ঘ ২৯ বছর পরে ফের শেফিল্ড শিল্ড জেতায় স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাসে ভেসে যান ক্রিকেটাররা। তবে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল বাঁধনছাড়া। জেসন সাঙ্ঘা উইনিং শট নেওয়ার পরেই গ্যালারি থেকে পিলপিল করে দর্শকরা ঢুকে পড়ে মাঠে। দুই ব্যাটার কার্যত জনতার ভিড়ে হারিয়ে যান। প্রতিপক্ষ কুইন্সল্যান্ডের ক্রিকেটাররা যে দুই ব্যাটারের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করবেন, তার উপায়ও ছিল না।
♛ শুধু মাঠে ঢুকে উচ্ছ্বাসে মাততেই দেখা যায়নি দর্শকদের। বরং স্মারক হিসেবে স্টাম্পও তুলে নিতে দেখা যায় তাদের। ম্যাচ শেষ হওয়া মাত্রই গ্যালারিতে দর্শক ছিল কম, মাঠে ছিল বেশি। সব দেখে শুনে আশির দশকের ক্রিকেট মাঠের ছবি মনে পড়ে যাওয়াই স্বাভাবিক।
সাউথ অস্ট্রেলিয়া বনাম কুইন্সল্যান্ড ম্যাচের ফলাফল
🐽অ্যাডিলেডের কারেন রোল্টন ওভালে শেফিল্ডের ফাইনালে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে কুইন্সল্যান্ড। তারা প্রথম ইনিংসে মাত্র ৯৫ রানে অল-আউট হয়ে যায়। মাইকেল নেসার দলের হয়ে সব থেকে বেশি ৩৪ রান করেন। খাতা খুলতে পারেননি ল্যাবুশান। একাই ৬টি উইকেট নেন সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ব্রেন্ডন ডগেট।
ܫ পালটা ব্যাট করতে নেমে সাউথ অস্ট্রেলিয়া তাদের প্রথম ইনিংসে ২৭১ রান তোলে। ১০২ রান করেন জ্যাক লেম্যান। ক্যাপ্টেন ম্যাকসুইনি খাতা খুলতে পারেননি। উইকেটকিপার অ্যালেক্স ক্যারি করেন ২৪ রান। কালাম ভিডলার কুইন্সল্যান্ডের হয়ে ৪ উইকেট দখল করেন। সুতরাং, প্রথম ইনিংসের নিরিখে ১৭৬ রানের লিড নেয় সাউথ অস্ট্রেলিয়া।
🎀 কুইন্সল্যান্ড দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৪৪৫ রান তোলে। জ্যাক ক্লেটন ১০০, জ্যাক উইল্ডারমাথ ১১১ ও ক্যাপ্টেন মার্নাস ল্যাবুশান ৬১ রান করেন। সাউথ অস্ট্রেলিয়ার ব্রেন্ডন ডগেট দ্বিতীয় ইনিংসে ৫টি উইকেট সংগ্রহ করেন। অর্থাৎ, দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ১১টি উইকেট নেন তিনি।