মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে ফেরার পর এই প্রথমবারের মতো সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন নাসার দুই নভোচারী সুনীতা উইলিয়ামস ও বুচ উইলমোর। বোয়িংয়ের স্পেসশিপে সমস্যার কারণে আইএসএস-এ ২৮৬ দিন আটকে ছিলেন এই দু'জন। পরে বিলিয়নেয়ার ইলন মাস্কের স্পেসএক্স ক্যাপসুল পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনে সুনীতা এবং উইলমোরকে। তবে মাত্র ৮ দিনের এই অভিযান কেন ২৮৬ দিন পর্যন্ত চলেছিল? দু'জনের কাছেই জানতে চাওয়া হয়েছিল, এই ঘটনায় কি নাসা বা বোয়িংয়ের দোষ ছিল? এই আবহে সব দায় নিজের ঘাড়ে নিয়ে নিলেন বুচ। বললেন, 'অনেক এমন প্রশ্ন ছিল যা ক্রু ফ্লাইট টেস্টের কমান্ডার হিসেবে আমার জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল। তবে তা আমি করিনি। তাই আমি দোষী। আমরা সবাই দোষী। আমাদের সবার দায় আছে এতে।' (আরও পড়ুন: ꦉএপ্রিলের শুরুতে কমল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম, জানুন কলকাতায় LPG-র রেট)
আরও পড়ুন: 🦹বদল ব্যাঙ্কের মিনিমাম ব্যালেন্স, UPI থেকে আয়করে! পকেটে প্রভাব ফেলবে যে সব নিয়ম
এদিকে বুধবার বোয়িংয়ের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন সুনীতা এবং বুচ। এই অভিযানের সময় কী কী সমস্যা দেখা দিয়েছিল, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে সেখানে। এদিকে বোয়িংয়ের স্টারলাইনার মহাকাশযান নিয়ে বুচ বলেন, 'এই মহাকাশযানটি অনেকটা সক্ষম। তবে আমরা যে সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি, সেগুলি ঠিক করে নেওয়া হবে। আমরা এই মহাকাশযানকে মসৃণ ভাবে চালিয়ে ছাড়ব।' এদিকে ফের তিনি মহাকাশে যাবেন কি না, এই প্রশ্নের জবাবে বুচ বলেন, 'এক হার্টবিটেই ফের মহাকাশে চলে যেতে পারি আমি।' এদিকে মহাকাশে আটকে পড়ার বিষয়ে তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম আমরা আটকে পড়েছিলাম। পরিকল্পনা অনুযায়ী পৃথিবীতে সঠিক সময়ে আমরা ফিরিনি। তবে যে হেতু আমরা প্রশিক্ষণরত এবং যে কোনও পরিস্থিতির মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত থাকি, তাই এটাকে আটকে পড়া বলা চলে না।' (আরও পড়ুন: ꦕমায়ানমারে মৃত বেড়ে ২০৫৬, শুধু মসজিদে চাপা পড়েই প্রাণ গেল অন্তত ৭০০ মুসলিমের)